সিটিজেনস ভিউজ ডেস্কঃ আজ পহেলা জুন, রবিবার নেদারল্যান্ডের খ্রোনিঙ্গেনে সুন্দরবন রেস্টুরেন্টে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা, বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। শংকর কুমারের পরিচালনায় ও নেদারল্যান্ড বিএনপি নেতা খন্দকার ফারুক জুয়েলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি দুপুর ১ টায় শুরু হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতি ও অতিথিদের আসন গ্রহণের পর কোরআন তেলায়াত করেন মোহাম্মাদ ওবায়েদ।

অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন সিটিজেনস ভিউজের সম্পাদক, রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সিনিয়র সাংবাদিক জনাব রাজা গোলাম রাব্বানী। জনাব রাজা রাব্বানী তার বক্তব্যে বলেন শহীদ জিয়ার ১৯ দফা কর্মসূচী হিল একটি যুগান্তকারী কর্মসূচী। যা ছিল বাংলাদেশকে একটি আধুনিক রাষ্ট্র গড়ার বন্দোবস্ত। কিন্তু বর্তমান বিএনপি শহীদ জিয়ার এই ১৯ দফা কর্মসূচী থেকে অনেক বিচ্যুত। বিএনপির নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, বিএনপি যদি বাংলাদেশের কোটি কোটি বেকার যুবকের জন্য কর্মসংস্থানের ব্যাবস্থা করতে পারে তাহলে বাংলাদেশে সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি অনেক অংশে কমে যাবে। সমাজে যদি মানুষের মধ্যে সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা যায় তাহলে নিশ্চিত আমাদের ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ ও ৩০ লক্ষ্য শহীদের রক্তের ঋণ শোধ করা যাবে। তিনি আরো বলেন, এখন সময় এসেছে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য শত্রু-মিত্র নির্ণয় করার। আমরা যদি বাংলাদেশের শত্রু-মিত্র চিনতে ব্যর্থ হই তাহলে বাংলাদেশ ব্যর্থ হবে। এই ব্যাপারে বিএনপিকে সব সময় সজাগ থেকে বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদকে ঊর্ধ্বে তুলে ধরতে হবে।
সভাপতির বক্তব্যে জনাব খন্দকার ফারুক জুয়েল বলেন, শহীদ জিয়া ছিলেন বাংলাদেশের রাজনীতিতে একজন ক্ষণজন্মা নেতা যিনি বাংলাদেশীদেরকে স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন কিভাবে বিশ্বের বুকে একটি সন্মানিত জাতি হিসেবে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে হবে। তিনি বলেন, সকল প্রকার মতানৈক্য ভুলে আমাদের সকলকে দেশের জন্য কাজ করতে হবে।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, নেদারল্যান্ড বিএনপি নেতা মূহাম্মাদ মোস্তফা হুসাইন, দীপক কুমার ঘোষ ও মোহাম্মাদ আজিজুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কমিউনিটি নেতা মাহবুব ইয়াছিন সহ অনেক গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও খ্রোনিঙ্গেনের বিভিন্ন ইউনিভার্সিটির অনেক ছাত্রছাত্রীবৃন্দ। সবশেষে শহীদ জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। দুপুরের খাবার পরিবেশনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।


